Sunday, September 8th, 2013

জাতীয় কমিটির লংমার্চের প্রচার পদযাত্রায় পুলিশি বাধা

জাতীয় স্বার্থবিরোধী ও সুন্দরবন ধ্বংসকারী রামপাল তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের দাবিতে ২৪-২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা-সুন্দরবন লংমার্চ সফল করার জন্য পদযাত্রা পূর্ব সমাবেশে জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আনু মুহাম্মদ  বলেন, বঙ্গোপসাগরে জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি করে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিশাল সম্ভাবনা বিনষ্ট করছে সরকার, অন্যদিকে বিদ্যুতের কথা বলে সুন্দরবন ধ্বংস করছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার যুক্তি তথ্যের মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে বল প্রয়োগের পথ বেছে নিয়েছে। ১৪৪ ধারা জারি, সন্ত্রাসীদের হামলা দিয়ে সুন্দরবন রক্ষায় জাতীয় জাগরণ থামানো যাবে না। সুন্দরবন প্রতি দুর্যোগে লক্ষ লক্ষ মানুষ বাঁচায়, সম্পদের যোগান দেয়। ভারতীয় কোম্পানি আর কিছু দখলদারের লোভের কাছে সুন্দরবনকে বলি দেয়া যাবে না।
জাতীয় কমিটির ঢাকা মহানগরের সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম ফজলুর সভাপতিত্বে বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পদযাত্রাপূর্ব সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন ম. এনামুল হক, বজলুর রশিদ ফিরোজ, প্রকৌশলী কল্লোল মোস্তফা, প্রকৌশলী ওয়াদুদুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. তানজিম উদ্দিন খান, তৈমুর আলম খান অপু,  খান আসাদুজ্জামান মাসুম, বাবুল বিশ্বাস, আবু বকর রিপন, সেকেন্দার হায়াৎ, ফখরুদ্দিন কবির আতিক প্রমুখ।

জাতীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, বিদ্যুৎ আমাদের প্রয়োজন, এজন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নতুন নতুন বৃহৎ বিদ্যুৎ প্লান্ট নির্মাণ করতে হবে। পুরাতন কেন্দ্রগুলোতে নবায়ন ও মেরামত করে সচল রাখতে হবে। সরকার সে পথে পা না বাড়িয়ে জাতীয় স্বার্থবিরোধী ও অসম চুক্তিতে রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র করতে যাচ্ছে। এই প্রকল্প জাতীয় স্বার্থকে জলাঞ্জলি দেবে এবং সুন্দরবনের কাছে হওয়ায় তা সুন্দরবনকে পর্যায়ক্রমে ধ্বংস করবে।

সমাবেশ শেষে পদযাত্রা মতিঝিল অভিমুখে রওনা দিলে পল্টন মোড়ে পুলিশ বাধা দেয়। তখন পুলিশের জাতীয় কমিটির নেতাদের সাথে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে পুরানা পল্টন মোড়ে সমাবেশে পুলিশি বাধার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আগামী দিনের কর্মসূচী সফল করার আহ্বান জানিয়ে সমাবেশ শেষ করেন।

আগামী ১১ সেপ্টেম্বর বিকাল সাড়ে ৪ টায় বাহাদুর শাহ পার্ক থেকে প্রেসক্লাব অভিমুখে অনুরূপ সমাবেশ ও পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।