Monday, July 22nd, 2013

অসম চুক্তির রামপাল বিদ্যুৎ প্লান্টসহ সুন্দরবন ধ্বংসকারী সকল প্রকল্প বাতিলের দাবি

২১ জুলাই ২০১৩ গ্রীণরোডের জাহানারা গার্ডেনে আহ্বায়কের কার্যালয়ে জাতীয় কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- প্রকৌশলী বিডি রহমতুল্লাহ, প্রকৌশলী ম. ইনামুল হক, প্রকৌশলী কল্লোল মোস্তফা, রুহিন হোসেন প্রিন্স, বজলুর রশিদ ফিরোজ, রাগিব আহসান মুন্না, জোনায়েদ সাকী, এড. আবদুস সালাম, রাজেকুজ্জামান রতন, নজরুল ইসলাম, মীর মোফাজ্জেল হোসেন মোস্তাক, ফখরুদ্দীন কবির আতিক, সুবল সরকার, মাসুদ খান, সামছুল আলম, জাহাঙ্গির আলম ফজলু, তৈমুর আলম খান অপু প্রমুখ।

সভায় রেন্টাল ও কুইক-রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহের সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বলা হয়, রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ প্লান্ট নবায়ন ও মেরামতসহ সুলভে বিদ্যুৎ পাবার বিভিন্ন উপায় থাকা সত্বেও কতিপয় গোষ্ঠিকে ব্যবসা দেওয়ার জন্যই এসব কেন্দ্র করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতির উপর অসম্ভব বোঝা তৈরি হয়েছে, উপরন্তু এগুলোর নবায়ন করে এই বোঝা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। আর তার সঙ্গে মালিকদের কথামত বাড়তি তেল দেবার সুবিধা দিয়ে আরো ৩ হাজার কোটি টাকা লোকসান বাড়ানো হচ্ছে।

সভায় কনোকোফিলিপস ও এশিয়া এনার্জির সাথে সমুদ্রের ব্লক নিয়ে চুক্তি করতে গিয়ে তাদের সুবিধামতো কর মওকুফ, গ্যাসের দাম বাড়ানোর সমালোচনা করে বলা হয় এতে বঙ্গোপসাগরের গ্যাস সম্পদ বাংলাদেশের জনগণ ও অর্থনীতির কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে না, করতে গেলে আমদানি করা দামেরও বেশি খরচে ব্যবহার করতে হবে।
সভায় আরো বলা হয়, এভাবেই দেশের জনগণের ও অর্থনীতির জন্য সুলভে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের সব পথ বন্ধ করে সুন্দরবন ধ্বংস করে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা হচ্ছে। ভারতীয় কোম্পানি ও দেশি কতিপয় লুটেরার স্বার্থে। অন্যদিকে জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প করে সুন্দরবনের সর্বনাশ নিশ্চিত করতে যাচ্ছে সরকার।

সভায় সুন্দরবন রক্ষা, রেন্টাল ও কুইক-রেন্টাল নামে বাংলাদেশের বাজেটের বৃহৎ অংশ লুন্ঠন বন্ধ, বঙ্গোপসাগরে জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি বাতিল, ফুলবাড়ী চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন সহ ৭ দফা দাবিতে আগামি ২৪-২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা- রামপাল লংমার্চ সফল করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।