Wednesday, November 28th, 2012

৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফুলবাড়ী চুক্তি পুর্ণ বাস্তবায়নের দাবী

২৮ নভেম্বর ২০১২ তারিখ সকালে গ্রীণরোডে জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ’র কার্যালয়ে জাতীয় কমিটির উদ্যোগে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এশিয়া এনার্জির পক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সার্কুলার প্রদান ও ১৪৪ ধারা জারীর বিরুদ্ধে ফুলবাড়ীসহ ৬ থানার মানুষ যে অভুতপূর্ব গণজাগরণ সৃষ্টি করেছেন তার জন্য তাদের অভিনন্দন জানানো হয়। সভায় গত ২৫ নভেম্বর আন্দোলনকারীদের কাছে দেয়া সরকারের প্রতিশ্র“তি অনুযায়ী দেশ থেকে এশিয়া এনার্জি বহিষ্কার ও উন্ম্ক্তু খনি নিষিদ্ধসহ ফুলবাড়ী চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবী জানানো হয়। তা না হলে ফুলবাড়ীতে মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে পরবর্তী বৃহত্তর কর্মসূচী নেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

সভায় প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, ‘জ্বালানি খাতে দুর্নীতিসহ জাতীয় স্বার্থবিরোধী তৎপরতাকে দায়মুক্তি দেবার আইনের সময় সীমা আরো বাড়ানো হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এমনিতেই রেন্টাল, কুইক-রেন্টালের অর্থনৈতিক বোঝা অসহনীয় মাত্রা নিয়েছে। গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম আরো বাড়ানো হয়েছে। আর দামবৃদ্ধি কোনভাবেই মেনে নেয়া হবে না।’

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ প্লান্ট সচল না করা ও বাপেক্সকে কাজ না দেবার শর্তে এডিবির ও বিশ্বব্যাংকের ঋণ নেয়া হয়েছে। এতে ঋণ বাড়লো এবং গ্যাস বিদ্যুতের দামবৃদ্ধিরও অবস্থা তৈরি হল। এ ধরনের ঋণগ্রহণই জাতীয় স্বার্থবিরোধী। দায়মুক্তি আইন করে জ্বালানী খাতের বিপর্যয় সৃষ্টিকারী ও দুর্নীতিবাজ অপরাধীদের রক্ষা করা যাবে না। বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের নামে সরকার যে পথে যাচ্ছে তা সংকট দূর করবে না বরং নতুন সংকট তৈরি করবে।’

সভায় সুন্দরবন ধ্বংস করে রামপাল বিদ্যুৎ প্লান্ট স্থাপনের সরকারী তৎপরতা বন্ধ না করলে সভা সমাবেশসহ লংমার্চের কর্মসূচী নেয়ার কথা ঘোষণা করা হয়।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বিমল বিশ্বাস, রুহিন হোসেন প্রিন্স, জোনায়েদ সাকী, রাগীব আহ্সান মুন্না, জুলফিকার আলী, মোফাজ্জল হোসেন মোস্তাক, আবু তাহের, মহিন উদ্দিন চৌধুরী লিটন, মাসুদ খান, সুবল সরকার প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।