Tuesday, March 8th, 2016

সুন্দরবন রক্ষায় ১০-১৩ মার্চ জনযাত্রা সফল করার আহবান

তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সংবাদ সম্মেলনে সুন্দরবন রক্ষায় আগামী ১০ মার্চ থেকে ১৩ মার্চ সুন্দরবন অভিমুখে জনযাত্রা সফল করার আহবান জানিয়ে বলা হয়েছে, সুন্দরবন ধ্বংসকারী কোন প্রকল্পকে ‘উন্নয়ন প্রকল্প’ বলা যায় না। বিদ্যুৎ উৎপাদনের বহু বিকল্প স্থান ও বিকল্প পথ আছে কিন্তু সুন্দরবনের কোনো বিকল্প নাই।

আজ ৮ মার্চ সকাল ১১টায় রাজধানীর মুক্তিভবনের প্রগতি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জাতীয় কমিটির আহবায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। এ সময় অধ্যাপক আকমল হোসেন, অধ্যাপক তানজিম উদ্দিন খান, টিপু বিশ্বাস, রুহিন হোসেন প্রিন্স, বজলুর রশীদ ফিরোজ, কামরুল আহসান, আব্দুস সাত্তার, বহ্নি শিখা জামালী, মানস নন্দী, শহিদুল ইসলাম সবুজ, নাসির উদ্দিন নসু, মহিন উদ্দিন চৌধুরী, নজরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম ফজলু, খান আসাদুজ্জামান মাসুম, আকবর খান, সুবল সরকার, মিজানুর রহমান, খোরশেদ আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ১০ মার্চ সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশের মাধ্যমে জনযাত্রার কর্মসূচি শুরু হবে এবং ১৩ মার্চ বেলা সাড়ে ১২টায় কাটাখালী মোড়ে সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে জনযাত্রা শেষ হবে।এছাড়া ১০ মার্চ সাভার, মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর। ১১ মার্চ মাগুরা, ঝিনাইদাহ, যশোর। ১২ মার্চ নওয়াপাড়া, দৌলতপুর, খুলনা ও ১৩ মার্চ রুপসা, বাগেরহাট, কাটাখালীতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, সুন্দরবন প্রাকৃতিক দান। দুর্বৃত্তদের হাতে একে ধ্বংস হতে দেয়া যায় না। তিনি দেশপ্রেমিক জনগনকে সুন্দরবন রক্ষায় কার্যকর ভ‚মিকা নিয়ে রুখে দাড়ানোর আহবান জানিয়ে বলেন, আমরা জয়ী হবে। তিনি আরো বলেন, সরকার এরপরও দাবি না মানলে ভবিষ্যতে আরো বড় কর্মসূচি দেওয়া হবে।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, দেশকে যা বিপন্ন করে তা উন্নয়ন নয়। সুন্দরবনধ্বংসী কোন প্রকল্পকে উন্নয়ন বলা যায় না। তিনি বলেন স্বয়ং অর্থমন্ত্রী স্বীকার করেছেন, কয়লা ভিত্তিক প্রকল্প হলে সুন্দরবনের ক্ষতি হবে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও তাদের উদ্বেগের কথা সরকারকে জানিয়েছে। এর পরও সরকার অনড় অবস্থান নিয়েছে যা মোটেই কাংখিত নয়।

তিনি অবিলম্বে এসব প্রকল্প বাতিল করে সুন্দরবন রক্ষায় যৌথ ও কার্যকর ভ‚মিকা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের প্রতি আহবান জানান।