Thursday, February 20th, 2014

সুন্দরবন থেকে বঙ্গোপসাগর

আয়তনে ছোট হলেও অন্য বহু দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অনেকগুলো বিশেষ শক্তির দিক আছে। উর্বর তিনফসলী জমি, ভ’গর্ভস্থ ও ভ’উপরিস্থ বিশাল পানি সম্পদ, নদী নালা খাল বিল, ঘন জনবসতি সবই আমাদের সম্পদ যা অনেকের নেই। এরবাইরেও আছে সুন্দরবনের মতো অসংখ্য প্রাণের সমষ্টি এক মহাপ্রাণ। অসাধারণ জীববৈচিত্র দিয়ে তা সারাদেশকে সমৃদ্ধ করে, যা লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকার সংস্থান করে, আবার প্রতিটি প্রাকৃতিক দুর্যোগে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাঁচায়। আমাদের আরও আছে বঙ্গোপসাগর। স্থলভাগের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি আয়তনের এই সমুদ্র জানা অজানা বিশাল সম্পদের আধার। এই বিশাল সাগর শুধু সম্পদের দিক থেকে নয়, বিশ্ব যোগাযোগ ও সার্বভৌম নিরাপত্তার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। এই বিবেচনায় বাংলাদেশ শুধু নদীমাতৃক দেশ নয় সমুদ্রমাতৃক দেশও। আর এরপরও আমাদের বাড়তি আছে গ্যাস কয়লাসহ খনিজ সম্পদ। এতোসব সম্পদ থাকা সত্ত্বেও কি একটি দেশকে গরীব বলা যায়? না। কোন কারণ নেই গরীব থাকার। কিন্তু উন্নয়ন ধরনই এমন যে, শুধু যে মানুষ গরীব তাই নয়; আবাদী জমি, নদী, পানি, সমুদ্র, সুন্দরবন, গ্যাস কয়লা সবই একের পর এক আক্রমণের শিকার, বিপন্ন। যা আমাদের সমৃদ্ধ জীবন নিশ্চিত করতে সক্ষম সেগুলোই দেশি বিদেশি কতিপয় গোষ্ঠীর লোভের বলি হয়ে ছিন্নভিন্ন হচ্ছে।

ফুলবাড়ী প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন কৃষিজমি নষ্ট করে খাদ্য নিরাপত্তা নষ্ট করে উন্মুক্ত খনি করা হবে না। নতুন প্রযুক্তির জন্য অপেক্ষা করতে হবে। খুবই সঠিক সিদ্ধান্ত। কিন্তু তাঁর কথা আর সরকারের নানা মহলের কাজে কোন সঙ্গতি নাই। ২০০৬ সালে রক্তাক্ত গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের সাথে যে ‘ফুলবাড়ী চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়েছিলো তার পূর্ণ বাস্তবায়ন এখনও হয়নি। তার ফলে লবিস্টদের তৎপরতা চলছেই। লন্ডনে ফুলবাড়ীর কয়লাখনি দেখিয়ে জালিয়াতি শেয়ার ব্যবসা চালাচ্ছে বিদেশি কোম্পানি। নতুন প্রযুক্তির জন্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানীর বিকাশের জন্য, জাতীয় সক্ষমতার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। সেদিকে কোন উদ্যোগ নেই।

শেখ হাসিনা বলেছেন ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশে পরিণত হবে। খুবই সম্ভব, এর আগেই সম্ভব। কিন্তু বিশ্বে এমন কোন দৃষ্টান্ত নেই যেখানে নিজেদের খনিজ সম্পদের ওপর জাতীয় কর্তৃত্ব ছাড়া কোন দেশ উন্নতি করতে পেরেছে। জ্বালানী সার্বভৌমত্ব জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়নের পূর্বশর্ত। নিজেদের সার্বভৌম ক্ষমতা বিদেশি বহুজাতিক কোম্পানি আর দেশীয় লুটেরাদের হাতে তুলে দিয়ে কোন দেশ কার্যকর উন্নতি করেছে? এরকম কোন দৃষ্টান্ত আছে নিজেদের জমিপানিসহ নবায়নযোগ্য ও গ্যাসকয়লাসহ অনবায়নযোগ্য সম্পদের সর্বনাশ করে কোন দেশ বিষচক্র থেকে বের হতে পেরেছে? না, নেই।

একতরফা নির্বাচনে যে সরকার গঠিত হয়েছে তা জোরদারভাবে সেইসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে হাত দিয়েছে যেগুলো গত সরকারের সময়ই প্রতিরোধের সম্মুখিন হয়েছিলো। পূর্বের সরকারের দায়মুক্তি আইন এখনও বলবৎ রেখে জ্বালানী ও বিদ্যুৎ খাতে সরকার আগের ধারাতেই অগ্রসর হচ্ছে। তাতে দেশের কতিপয় গোষ্ঠী এবং যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন, রাশিয়ার শাসক আর মুনাফাপ্রভুরা খুশি, কিন্তু বিপদাপন্ন বাংলাদেশ। দেশ ও জনস্বার্থ বিবেচনার কেন্দ্রে থাকলে কী করে রামপালে সুন্দরবনধ্বংসী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার প্রকল্প হতে পারে? কীভাবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিবেচনাযোগ্য হতে পারে? কীভাবে একের পর এক জনস্বার্থবিরোধী চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে?

সরকারি পদের দায়িত্বে থাকা কতিপয় ব্যক্তি, সুন্দরবন এলাকায় ভ’মি দখলে উদগ্রীব কতিপয় দস্যু ও হাতে গোণা কয়জন ভাড়াটে বিশেষজ্ঞ ছাড়া কাউকে পাইনি যারা এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে উদ্বিগ্ন নন। এটি যে সুন্দরবন ধ্বংস করবে সে ব্যাপারে তাঁরা সবাই নিশ্চিত। এসব লোকজন ‘বাঙালকে হাইকোর্ট দেখানো’র মতো সুপারক্রিটিকাল টেকনোলজির গল্প বলেন। আমি ভারতীয় কোম্পানি এনটিপিসির কেন্দ্র শক্তিনগরে (মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশের সিংগ্রলি অঞ্চল) তাদের কার্যক্রম দেখে এসেছি। দেখেছি উন্মুক্ত খনি ও কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কারণে কীভাবে এককালের ঘন বনজঙ্গলের এলাকা এখন বিরান, বিষাক্ত; সেখানে পানি বাতাস দুষিত। এশপন্ড বা ছাইএর পুকুর অঞ্চলের সকল জলাধার এমনকি পানিপানের শেষ ভরসা কুয়ার পানি বিষাক্ত করেছে। খাদ্য উৎপাদনের উপযোগী জমি নেই। ঘরে ঘরে অসুস্থ শিশু। প্রতি তিন বাড়ির এক বাড়িতে এখন পাগল পাওয়া যাচ্ছে।

অনেকেই প্রশ্ন করেন তাহলে বিকল্প কী? আমরা বারবার বলি- সুন্দরবনের বিকল্প নাই, কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনেক বিকল্প আছে। প্রথমত, যেহেতু ভারতের কোম্পানি এটি পরিচালনা করবে, যেহেতু ভারতের ব্যাংক এরজন্য ঋণ যোগান দেবে, যেহেতু ভারতের বিশেষজ্ঞরা এখানে কাজ করবেন, যেহেতু সম্ভবত ভারতের কয়লাই এখানে ব্যবহার হবে সেহেতু ফ্রেন্ডশীপ কোম্পানির এই কেন্দ্র ভারতেই প্রতিষ্ঠিত হোক, আমরা নাহয় বিদ্যুৎ কিনবো! সেটা কি ভারতের মানুষ মানবেন? ভারতের আইন তা অনুমোদন করবে? অথবা দ্বিতীয়ত, সকল বিধি মেনে স্বচ্ছতার সঙ্গে, যদি গ্রহণযোগ্য হয়, যদি জনসম্মতি মেলে, তবে বাংলাদেশের অন্যত্র এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র হতে পারে। অথবা তৃতীয়ত, যে পরিমাণ বিদ্যুৎ এই কেন্দ্র থেকে পাওয়া যাবে তার চাইতে বেশি বিদ্যুৎ, ২০ ভাগের ১ ভাগ অর্থে, বিদ্যমান বিদ্যুৎ কেন্দ্র মেরামত ও নবায়ন করেই পাওয়া সম্ভব। অথবা চতুর্থত, নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার বৃহৎ উদ্যোগ। ভারতের রাজস্থানই তার একটি ভালো দৃষ্টান্ত। চতুর্থ পথই দীর্ঘমেয়াদে আমাদের পথ।

গ্যাসভিত্তিক বৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের জন্য বিশাল উৎস হবে বঙ্গোপসাগর। এটি বাংলাদেশের জন্য এক বিশেষ সুবিধা যা বহু দেশে নেই। কিন্তু এক্ষেত্রেও ভুল ও লোভী নীতি ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বঙ্গোসাগরে গ্যাসব্লক নিয়ে আরেকটি সর্বনাশা চুক্তি করলো সরকার। সংশোধিত ‘পিএসসি ২০১২’ অনুযায়ি সরকার ভারতের অয়েল এ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস কর্পোরেশন (ওএনজিসি বিদেশ) এবং অয়েল ইন্ডিয়ার সাথে বঙ্গোপসাগরের এস এস ৪ ও এসএস ৯ নামে চিহ্নিত ১৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকার ২টি গ্যাসব্লকের চুক্তি সম্পাদন করেছে।

এর আগে পিএসসি ২০০৮ ও তাতে রফতানির বিধান নিয়ে আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। জনপ্রতিরোধ ও জনমতের চাপে পিএসসি ২০১২ তে রফতানির বিধান রাখা হয়নি। কিন্তু বর্তমান দলিলে অনেকগুলো চালাকি করা হয়েছে। বিদেশি কোম্পানিগুলোর দাবির কাছে নতি স্বীকার করে সরকার পিএসসি ২০১২ সংশোধন করেছে। তাদের কথামতো চুক্তির দলিল বা ‘পিএসসি’ সাজানোর পর আবারো টেন্ডার আহবান করা হয় এবং আগে থেকে ঠিকঠাক করা কোম্পানিগুলো তাতে সাড়া দেয়। ভারতের ওএনজিসি এবং যুক্তরাষ্ট্রের কনকো ফিলিপস এখন তালিকায়। কনকো-ফিলিপসের সাথে ৭ নং গ্যাস ব্লক নিয়ে সরকার আরও ১টি চুক্তি করবার অপেক্ষায়।

কোম্পানিগুলোর উচ্চ মুনাফা ও কর্তৃত্ব নিশ্চিত করতে সংশোধিত পিএসসিতে যেসব বাড়তি সুবিধা নতুন করে দেয়া হয়েছে তার মধ্যে আছে প্রথমত, গ্যাসের ক্রয়মূল্য, অর্থাৎ বাংলাদেশ যে দামে গ্যাস কিনবে তার দাম, আগের চুক্তির তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বাড়ানো হয়েছে। দ্বিতীয়ত, প্রতিবছর গ্যাসের দাম শতকরা ২ ভাগ হারে বৃদ্ধির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তৃতীয়ত, ব্যয় পরিশোধ পর্বে, গভীর সমুদ্রের জন্য, বিদেশি কোম্পানির অংশীদারিত্ব শতকরা ৫৫ ভাগ থেকে বৃদ্ধি করে শতকরা ৭০ ভাগ করা হয়েছে। চতুর্থত, ইচ্ছামত দামে তৃতীয় পক্ষের কাছে গ্যাস বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এই চুক্তির কারণে তাই নিজের গ্যাস সম্পদ কেনার ক্ষমতা বাংলাদেশের থাকবে না, কিনতে গেলে ভয়াবহ আর্থিক বোঝার সম্মুখিন হতে হবে। এছাড়া একাধিক ব্লকে গ্যাস পাওয়া গেলে যোগান এতোবেশি হবে যে, রফতানি তখন অনিবার্য হয়ে উঠবে, যা শুধু এই কোম্পানিগুলোকেই লাভবান করবে। সেজন্যই কি দলিলে গ্যাস রফতানির উপর কোন নিষেধাজ্ঞা রাখা হয়নি? চার বছর আগে সংসদে উত্থাপিত ‘খনিজ সম্পদ রফতানি নিষিদ্ধ আইন’ও পাশ করা হয়নি কি সেজন্যই? উল্টো রফতানি নীতিতে খনিজ সম্পদ রফতানির বিধান রাখা হয়েছে।
‘পুঁজির অভাব’ এর যুক্তি তুলেই স্থলভাগ ও সমুদ্রে একের পর এক গ্যাসব্লক বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে। গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে নাকি ‘বিপুল পরিমাণ’ অর্থের প্রয়োজন, আর তা বাংলাদেশের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। কত সেই পরিমাণ? সর্বশেষ চুক্তি অনুযায়ী ওএনজিসি ৮ বছরে বিনিয়োগ করবে প্রায় ১৪ কোটি ডলার বা ১১০০ কোটি টাকা মানে বছরে গড়ে ১৩৮ কোটি টাকা। তার মানে প্রতিবছর মন্ত্রী আমলাদের গাড়ি কেনার বা বিলাসিতার খরচ একটু কমালেই সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানের টাকার যোগান হয়। তাছাড়া ওএনজিসি ৮ বছরে যে পরিমাণ বিনিয়োগ করবে তার প্রায় দ্বিগুণ অর্থ গ্যাস উন্নয়ন তহবিলে অলস পড়ে আছে। শত হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি আর পাচারের হিসাব না হয় নাই দিলাম।
‘বাংলাদেশের সক্ষমতা নাই’ বারবার এই যুক্তি তোলা হয়। কবে এই সক্ষমতা আসবে সেব্যাপারে কি কোন কথা আছে? জাতীয় সক্ষমতা বিকাশে সরকারের কি কোন উদ্যোগ আছে? কোন সরকারের ছিলো? না। ভারতের সক্ষমতা অর্জনে কতো বছর লেগেছিলো? প্রতিষ্ঠার ১৩ বছর পরই ওএনজিসি সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধানের কাজ শুরু করেছিলো।  আর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪২ বছর পরেও ‘আমরা পারবো না’ এটাই সরকারগুলোর সার্বক্ষণিক কথা। অক্ষমতার প্রচার করে, একটি সমৃদ্ধ দেশের সম্পদ বিনাশের নানা চুক্তি হতে থাকে।

দক্ষ কোম্পানি বলে যে ওএনজিসির সাথে চুক্তি করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ ভারতেই আছে। কনকো ফিলিপস তো দুর্ঘটনার রাজা হিসেবেই পরিচিত। অথচ পিএসসিতে দুর্ঘটনার জন্য ক্ষতিপূরণের ধারা দুর্বল করে রাখা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে যদি দুর্ঘটনা হয়, ক্ষতি কতদূর বিস্তৃত হবে তা চিন্তা করাও কঠিন। মাগুড়ছড়া টেংরাটিলার অভিজ্ঞতা খুবই তিক্ত। কোন সরকার এই ক্ষতির জন্য মার্কিন শেভ্রন ও কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকোর কাছ থেকে আমাদের প্রাপ্য ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আদায়ের উদ্যোগ নেয়নি।

এতোসবের পরও প্রশ্ন করা হবে, এর বিকল্প কী? আমাদের তো গ্যাস লাগবে! বিকল্প নিশ্চয়ই আছে কিন্তু তাতে কমিশনভোগীদের সুবিধা নাই। আমরা সরকারকে এই ধরনের আতœঘাতী চুক্তি স্বাক্ষরের পরিবর্তে জাতীয় সংস্থার সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে, প্রয়োজনে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে সাবকন্ট্রাক্টের মাধ্যমে, জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রেখে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন কার্যক্রম গ্রহণের দাবি জানিয়েছি বারবার। শতভাগ জাতীয় মালিকানার অধীনে নির্দিষ্ট কাজে বিদেশি কোন দক্ষ কোম্পানিকে দায়িত্ব দেয়া, বিদেশি বা প্রবাসী বিশেষজ্ঞদের এসব কাজে যুক্ত করায় তো কোন অসুবিধা নেই।  জাতীয় কমিটির ৭ দফায় বিস্তারিত কর্মসূচির রূপরেখা দেয়া হয়েছে। কোন সরকারের এতে আগ্রহ দেখা যায় না।

জনস্বার্থ যদি উন্নয়ন চিন্তার কেন্দ্রে থাকে তাহলে ধ্বংসের বিকল্প ঠিকই পাওয়া সম্ভব। কিন্তু তার জন্য কমিশন থেকে জনগণের দিকে ঘাড়টা ঘোরাতে হবে। না ঘোরালে জনগণকেই ব্যবস্থা নিতে হবে। বাংলাদেশ এই দেশের মানুষের, দেশি বিদেশি লুটেরাদের নয়।